• ...
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭ | শেষ আপডেট ৩৫ মিনিট আগে
ই-পেপার

ইন্টারভিউয়ে সফলতার সোপান আত্মবিশ্বাস

সাহিদা শিল্পী
৩১ জানুয়ারি ২০১৫, শনিবার, ৯:৪৯
পাঠপরিক্রমা শেষ। এবারে শুরু চাকরি খোঁজা। যোগ্যতানুযায়ী একটি ভালো চাকরি সবারই কাম্য। যারা একটু বেশি সচেতন, তারা পড়ালেখার পাশাপাশি প্রস্তুতি পর্বটা সেরে ফেলেন তখনই। যারা এখনো এ বিষয় নিয়ে ভাবেননি, তাদের জন্যই বলছি। অযথা টেনশন নেবেন না। বাড়তি চাপ আপনাকে নার্ভাস করে দেবে। আত্মবিশ্বাস রাখুন নিজের ওপর। কেননা সফলতার প্রথম সোপান আত্মবিশ্বাস।
লক্ষ্য স্থির করুন : মনস্থির করুন আপনি কোথায় কাজ করতে চাচ্ছেন। কী কাজ আপনার পছন্দ। দক্ষতা অর্জনে প্রশিক্ষণ নিন। তৈরি করে রাখুন আপনার বায়োডাটা বা CV। কোন প্রতিষ্ঠান কোন পদে আপনি নিজেকে নিযুক্ত করতে চাচ্ছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করুন। প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থাকলে সেখানে ভিজিট করুন। তথ্য সংগ্রহ করুন। এ তথ্য আপনার কাজে লাগতে পারে।
ইন্টারভিউয়ের মুখোমুখি ও আত্মবিশ্বাস : নিজেকে পরিপাটি পোশাকে সজ্জিত করুন। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গুছিয়ে নিন। ইন্টারভিউ বোর্ডে চৌকস এবং হাস্যোজ্জ্বল থাকার চেষ্টা করুন। বোর্ডের সব সদস্যের কথা সমান গুরুত্ব দিয়ে শুনবেন এবং উত্তর দেয়ার চেষ্টা করবেন। উত্তর জানা না থাকলে বিনয়ের সাথে অপারগতা প্রকাশ করবেন। ভুল উত্তর দেয়া থেকে বিরত থাকবেন। যদি ইন্টারভিউতে দু’একটা প্রশ্নের উত্তর ভুল করেন, তাহলে নার্ভাস হওয়ার প্রয়োজন নেই। নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস রাখুন। নার্ভাস ব্রেকডাউনও কিন্তু পরীক্ষার অংশ। বোর্ড হয়তো আপনাকে নার্ভাস করার জন্যই প্রশ্নটা করেছে। কিন্তু আত্মবিশ্বাসী হয়ে আপনাকে তা উৎরে যেতে হবে। প্রসঙ্গক্রমে আপনার ইচ্ছা এবং  পরিকল্পনার কথাও জানাতে ভুলবেন না। বিদায়টাও হাসিমুখে নেবেন। ইন্টারভিউয়ে সফল হতে হলে আত্মবিশ্বাস বা সেল্ফ কনফিডেন্সের প্রয়োজন। টেনশন বা উত্তেজনায় অনেকে কথার খেই হারিয়ে ফেলেন। অনেক সময় ইন্টারভিউয়ের জন্য আপনি নিজেকে পুরোপুরি তৈরি করার পরও স্রেফ টেনশনের জন্যই সহজ প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন না। পরিস্থিতি জটিল মনে হয়। এ পরিস্থিতি থেকে নিজেকে বের করে আনার প্রথম ও সেরা উপায় সব কিছু ভালো করে জানা। নিজের গুণ ও ক্ষমতার কথা কখনো ভুলবেন না। পাশাপাশি নিজের বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা বাড়িতে তুলুন। আপনার সফলতা কেউ ঠেকাতে পারবে না।
যা মনে রাখবেন : আত্মবিশ্বাসী মানুষেরা কিন্তু একই ভুল বারবার করেন না। নিজেকে ঠিক শুধরে নেন। ‘আমার দ্বারা হবে না, আমি হয়তো পারবো না, যাই করি না কেন আমি সফল হবো না’Ñ এ ধরনের মনোভাব নিয়ে লক্ষ্যের দিকে এগোলে কখনোই লক্ষ্য ভেদ করতে পারবেন না। আত্মবিশ্বাসের অভাব মনের মধ্যে অদ্ভুত টেনশন, অস্থিরতা সৃষ্টি করে; আর তাতে মনের একাগ্রতা নষ্ট হয়। এমনকি জানা উত্তর পর্যন্ত তখন ভুল হয়ে যায়। এরকম অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় নিজেকে জানা। নিজের দোষ, গুণ, অক্ষমতা, দক্ষতা সম্পর্কে সচেতন থাকা। প্রয়োজনে কেরিয়ার কাউন্সেলরদের সাহায্য নিতে পারেন। ট্রেনিং এবং প্র্যাকটিস আপনার দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে।
পাঠকের মতামত
আপনার মতামত
নাম
ই-মেইল
মতামত
CAPTCHA Image

বিশেষ আয়োজন -এর অন্যান্য সংবাদ
উপরে