• ...
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭ | শেষ আপডেট ৪৮ মিনিট আগে
ই-পেপার

রসনার রূপচাঁদা-বিলাস

সোহেল অটল
৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, সোমবার, ১০:৫৪
বাঙালির আটপৌরে জীবনে খাওয়ার তেল বলতে সরিষার তেলই বোঝাতো। তাতে বাঙালির রসনাবিলাসে বিন্দুমাত্র কমতি পড়ত না। কিন্তু ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ভোজ্যতেলের চাহিদা বৃদ্ধি করলে বোতলজাত সয়াবিন তেল উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কদর বাড়ে। সেসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বাংলাদেশীদের কাছে রূপচাঁদার কদর শীর্ষে। বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেডের পণ্য রূপচাঁদা ব্র্যান্ডের রয়েছে নানান পদের ভোজ্যতেল। এ ছাড়া সম্প্রতি তারা বাজারে এনেছে চিনিগুঁড়া চাল। এসব পণ্যের গুণগত মান ও অন্যান্য খবর জানাচ্ছেন সোহেল অটল
তেল ছাড়া কি রান্নাবান্না চলে?
নিশ্চয়ই চলে। ভোজ্যতেল উৎপাদন হওয়ার আগে নিশ্চয় তেল ছাড়াই রান্নাবান্না চলেছে। কিংবা যে যুগে রান্নাবান্না ছাড়াই পুড়িয়ে খাওয়া হতো, তখন নিশ্চয়ই মানুষ ভোজ্যতেলের অভাব বোধ করেনি।
এই আধুনিক বিশ্বেও স্বাস্থ্যসচেতন বিশেষজ্ঞরা তেলজাতীয় খাবারকে রীতিমতো এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। চিকিৎসকেরাও প্রতিনিয়ত তেলজাতীয় খাবার পরিহার করতে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে তেলকে একপ্রকার ‘না’-ই বলা হচ্ছে।
বিশ্বের যেখানেই, যত বড় সভ্যতাই তেলহীন রসনাবিলাসের স্বাস্থ্যসম্মত ফিকির বের করুক না কেন, বাঙালির তাতে কিছু যায়-আসে না। তেল ছাড়া বাঙালির হেঁশেল অন্ধকার। না, বাত্তি জ্বালানোর তেল নয়, ভোজ্যতেলের কথাই বলা হচ্ছে। নুন-মরিচের মতো ভোজ্যতেলও বাঙালির রেসিপি তৈরিতে অপরিহার্য। সেই অপরিহার্যতার নমুনা বহু আগেই বুঝিয়ে দিয়ে গেছেন বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন। বাঙালির রসনাবিলাস নিয়ে তার প্রবন্ধে তিনি আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে গেছেনÑ এ জাতি খাবারকে চূড়ান্তপর্যায়ে সুস্বাদু না বানিয়ে গিলতে পারে না। সুতরাং কড়াইয়ে তেল ঢালো, খাবার সুস্বাদু বানাও।
তো, খাবার শুধু সুস্বাদু হলেই চলবে? উদরের গ্রহণক্ষমতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর ফল কি ভালো হবে? না, হবে না। হয়নি কখনো। দূষিত ভোজ্যতেলের পার্শ¦প্রতিক্রিয়ায় নানাবিধ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে প্রতিনিয়ত মানুষ। খোলা বাজারে দেদার বেচাকেনা চলছে তাই দূষিত তেল।
বাংলাদেশ এডিবল অয়েল লিমিটেড নামে এই শতভাগ বিদেশী কোম্পানিই এ দেশে প্রথম বোতলজাত ভোজ্যতেল বিপণন শুরু করে। দীর্ঘ দুই দশক ধরে সর্বোচ্চ মানের ভোজ্যতেল উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছে। রূপচাঁদা, মিজান, কিংস ও অলিভয়েলার মতো প্রসিদ্ধ ব্র্যান্ডগুলো দিয়ে বাংলাদেশ এডিবল অয়েল সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ভোজ্যতেল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
তাদের দাবি, তাদের উৎপাদিত সব রকম তেলই শতভাগ বিশুদ্ধ এবং স্বাস্থ্যসম্মত। শুধু সয়াবিন তেলই নয়, পাম অয়েল, মাস্টার্ড অয়েল, সানফাওয়ার অয়েলসহ চিনিগুঁড়া চালও বিপণন করছে প্রতিষ্ঠানটি।
পাঠকের মতামত
আপনার মতামত
নাম
ই-মেইল
মতামত
CAPTCHA Image

ফিচার -এর অন্যান্য সংবাদ
উপরে