Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/dailynayadiganta/public_html/allarchive/archive_hasan/includes/connect.php on line 30
Naya Diganta :: রোগ যখন সায়টিকা
  • ...
ঢাকা, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ | শেষ আপডেট ২৬ মিনিট আগে
ই-পেপার

রোগ যখন সায়টিকা

ডা: এম ইয়াছিন আলী
১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, বুধবার, ৯:২২
সায়টিকা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের বিভিন্ন ভুল ধারণা রয়েছে। আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি সাধারণ মানুষের ধারণা শরীরের যেকোনো জায়গায় ব্যথা হলেই সেটা সায়টিকার জন্য এটা ঠিক নয়। আসুন আমরা জেনে নিই তাহলে সায়টিকা  ও তার চিকিৎসা সম্পর্কে
 
সায়টিকা কী?  
আমাদের শরীরে সায়টিকা নামে একটি নারভ বা স্নায়ু রয়েছে, যার অবস্থান আমাদের মেরুদণ্ডের লাম্বার স্পাইনের শেষ দিকের কশেরুকা বা ভাটিব্রারা এল ৩, ৪, ৫ এবং সেকরাল স্পাইনের  এস ১ কশেরুকা বা ভাটিব্রারা থেকে উরুর  পেছন দিক দিয়ে হাঁটুর নিচের মাংসপেশির মধ্য দিয়ে পায়ের আঙুল পর্যন্ত। যখন কোনো কারণে এই নারভ বা স্নায়ুর ওপর চাপ পড়ে তখন এই নারভ বা স্নায়ুর ডিস্ট্রিবিউশন অনুযায়ী ব্যথা কোমর থেকে পায়ের দিকে ছড়িয়ে যায়, এটাকে মেডিক্যাল পরিভাষায় সায়টিকা বলা হয়।
 
সায়টিকার লণ 
কোমর ব্যথা, ব্যথা কোমর থেকে পায়ের দিকে ছড়িয়ে যায়, অনেক েেত্র কোমরে ব্যথা থাকে না; কিন্তু উরুর পেছন দিক থেকে শুরু করে হাঁটুর নিচের মাংসপেশির মধ্যে বেশি ব্যথা করে।
বিশ্রামে থাকলে বা শুয়ে থাকলে ব্যথা কম থাকে; কিন্তু খানিকণ দাঁড়িয়ে থাকলে কিংবা হাঁটলে ব্যথা বেড়ে যায়।
এমনকি কিছুণ হাঁটলে আর হাঁটার মতা থাকে না,  কিছুটা বিশ্রাম নিলে আবার কিছুটা হাঁটতে পারে।
আক্রান্ত পা ঝিন ঝিন বা অবশ অবশ অনুভূত হয়।
কখনো আক্রান্ত পায়ে জ্বালাপোড়া অনুভব করে।
 
রোগ নির্ণয়
রোগ নির্ণয়ের েেত্র রোগীর ইতিহাস ও কিনিক্যাল এক্সামিনেশনের  পাশাপাশি লাম্বো-সেকরাল স্পাইনের এমআরআই (ম্যাগনেটিক রিজোনেন্স ইমেজিং) করার প্রয়োজন পড়ে।
 
চিকিৎসা
এর চিকিৎসা হলো ওষুধের পাশাপাশি সম্পূর্ণ বিশ্রাম অর্থাৎ হাঁটাচলা বা মুভমেন্ট করা যাবে না, এমন অবস্থায় থেকে সঠিক ফিজিওথেরাপি, এ ক্ষেত্রে  রোগীর অবস্থা অনুযায়ী ২-৪ সপ্তাহ ফিজিওথেরাপি হাসপাতালে ভর্তি থেকে দিনে দুই-তিনবার ফিজিওথেরাপি চিকিৎসা নিলে ও চিকিৎসক নির্দেশিত থেরাপিউটিক ব্যায়াম করলে রোগী দ্রুত আরোগ্য লাভ করে এবং সুস্থ হওয়ার পর কিছু সতর্কতা  অবলম্বন করতে হবে। যেমনÑ 
১. সামনের দিকে ঝুঁকে ভারী কাজ করবেন না।
২. শোবার সময় একটা মধ্যম সাইজের বালিশ ব্যবহার করবেন।
৩.  ভারী ওজন তোলা নিষেধ।
৪. শক্ত বিছানায় শোবেন।
৫. ভ্রমণ ও হাঁটাচলার সময় সারভাইক্যাল কলার অথবা লাম্বার করসেট ব্যবহার করবেন।
৬. চিকিৎসকের নির্দেশিত ব্যায়াম করবেন। 
 
লেখক : বাত, ব্যথা, প্যারালাইসিস ও ফিজিওথেরাপিবিশেষজ্ঞ, চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালটেন্ট, ঢাকা সিটি ফিজিওথেরাপি হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা । 
মোবাইল : ০১৭১৭০৮৪২০২
পাঠকের মতামত
আপনার মতামত
নাম
ই-মেইল
মতামত
CAPTCHA Image

ফিচার -এর অন্যান্য সংবাদ
উপরে