• ...
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭ | শেষ আপডেট ৪৭ মিনিট আগে
ই-পেপার
আলোচনা সভায় বক্তারা

জাতীয় সরকারের ধারণা সঙ্কট উত্তরণে সমাধান দিতে পারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, রবিবার, ৯:৫৮
‘জাতীয় সরকার ও জাতিসঙ্ঘের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, দেশে আইনের শাসন নেই। মানবাধিকার পরিস্থিতি ভয়াবহ। ৫ জানুয়ারি ভোটারবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠিত হওয়ায় দেশে এই সঙ্কট সৃষ্টি হয়েছে। সঙ্কট থেকে উত্তরণে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন জরুরি। সে জন্য বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমদের জাতীয় সরকারের ধারণা কার্যকর সমাধান দিতে পারে। আর তা বাস্তবায়নে জাতিসঙ্ঘকে পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
গতকাল দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের অডিটোরিয়ামে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ‘প্রস্তাবিত জাতীয় সরকার সমর্থকগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় সমন্বয় পরিষদ’ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে সভাপতিত্ব করেন সমর্থকগোষ্ঠীর সভাপতি অ্যাডভোকেট গোবিন্দ্র চন্দ্র প্রামাণিক। সভায় বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী আবেদ রাজা, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল,  অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট শরীফ ইউ আহমেদ প্রমুখ। সঙ্কটময় বিভিন্ন দেশে জাতিসঙ্ঘের মধ্যস্থতায় অনুষ্ঠিত নির্বাচন নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট এস এম গোস্বামী।
অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা বলেছেন, বাংলাদেশে এখন এক ব্যক্তির শাসন চলছে। এই শাসনে সব কিছু অসার ও অলীক হয়ে যাচ্ছে। মানুষ সভা-সমাবেশ করতে পারছে না, কথা বলতে পারছে না। এভাবে একটা দেশ চলতে পারে না। চলমান সঙ্কট উত্তরণের একমাত্র উপায় দেশে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন। তিনি আরো বলেন, চলমান সঙ্কট নিরসনে প্রফেসর এমাজউদ্দীন যে প্রস্তাব দিয়েছেন তা ভালো উদ্যোগ। এর মাধ্যমে সমাধান হতে পারে।
ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, বাংলাদেশে আইনের শাসন নেই। মানবাধিকার পরিস্থিতি ভয়াবহ। ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রীরা ভোট দিতে পারেননি। কোনো ভোট ছাড়াই ১৫৪ জন এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বলেন, সংলাপের প্রস্তাব সরকার মেনে নেবে না। কারণ যেকোনো আলোচনার প্রস্তাব মেনে নেয়ার মানে তাদের অবৈধত্বকে স্বীকার করে নেয়া। সে জন্য তারা সব আলোচনার প্রস্তাবই প্রত্যাখ্যান করবে। কেউ যদি মনে করেন- বেগম জিয়ার কোটি কোটি কর্মী-সমর্থকগোষ্ঠীকে বাইরে রেখে সমস্যার সমাধান করবেন তা হলে কোনো সমাধান হবে না।
অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে ক্ষমতাসীনেরা নিজেই হন্তারকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। ঘোষণা দিয়ে মানুষ মারার নজির পৃথিবীর ইতিহাসে নেই। বাংলাদেশে যে অবস্থা বিরাজ করছে, তা সমাধানে জাতিসঙ্ঘের দায় রয়েছে। আমরা ধ্বংসের মধ্যে এই দেশকে দেখতে চাই না। প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমদ জাতীয় সরকারের যে ধারণা দিয়েছেন তা বর্তমান সঙ্কটের সমাধান দিতে পারে। কিন্তু তা বাস্তবায়নে জাতিসঙ্ঘের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

পাঠকের মতামত
আপনার মতামত
নাম
ই-মেইল
মতামত
CAPTCHA Image

নগর মহানগর -এর অন্যান্য সংবাদ
উপরে