• ...
ঢাকা, শনিবার, ২৪ জুন ২০১৭ | শেষ আপডেট ২০ মিনিট আগে
ই-পেপার
সাড়া দেয়ার প্রশ্নই আসে না : এইচ টি ইমাম

খালেদার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া দরকার : অর্থমন্ত্রী

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, রবিবার, ১:০৫
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া দরকার বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। তিনি দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ‘চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষাব্যবস্থা’ শীর্ষক সেমিনারে এ কথা বলেন।
ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহফুজা খানমের সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান আলোচক ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম। সম্মানিত অতিথি ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। আলোচনায় অংশ নেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী, শিক্ষা সচিব নজরুল ইসলাম খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক হারুন-অর-রশিদ প্রমুখ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাণিজ্য অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হক। সঞ্চালনা করেন অফিসার্স কাবের সাধারণ সম্পাদক আবু আলম মো: শহীদ খান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, হরতাল অবরোধ কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয়। এটা দেশবিরোধী, রাষ্ট্রবিরোধী আন্দোলন। আমাদের দেশের একটা বিবর্তন হয়েছে, এগিয়ে যাচ্ছে। অবশ্যই খালেদা জিয়া সেটি সইতে পারছেন না। এর বিরুদ্ধে কিভাবে শাস্তি দেয়া যায় সেটা বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন, এই বাংলাদেশ খালেদা জিয়া কখনো দেখেননি। এটা তার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এ জন্য তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া দরকার।
তিনি বলেন, বিএনপি একটি রাজনৈতিক দল; কিন্তু তারা সে স্বত্বা হারাতে বসেছে। খালেদা নির্বাচন করলেন না তার নির্বুদ্ধিতার কারণে। তিনি যখন রাজনীতি ছেড়ে দেবেন তার অনুসারীরা যখন সব কিছু বুঝতে পারবে, তখন এ সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এইচ টি ইমাম বলেন, দেশে এবারের বিষয়টা একটু ভিন্ন। এটা আন্তর্জাতিক রূপ পরিগ্রহ করেছে। দেশকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের মধ্যে টেনে নেয়ার জন্য এই চেষ্টা। এই সন্ত্রাসের কাছে আমাদের নতি স্বীকার করার কোনো প্রশ্নই আসে না। আগে তারা এটি বন্ধ করুক, তাদের দোষ স্বীকার করে নিক। আমাদের দিক থেকে সাড়া দেয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নাগরিক সমাজ যেটা বলছে সেটা তারা জানে না। ডাক্তার যদি রোগ নির্ণয় করতে না পারেন তাহলে সারাবেন কী করে। এখন যে আন্দোলন হচ্ছে সেটা হলো মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে শেষ করার আন্দোলন।
এস এম এ ফায়েজ বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এটা পীড়াদায়ক। এর অবসানের জন্য ঐক্যের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আমাদের দুই দলের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কেউ কাউকে বিশ্বাস করতে পারছি না। এর থেকে বেরিয়ে সবার ওপরে দেশ। এটা সামনে নিয়ে আসতে হবে। দেশের স্বার্থে দু’টি দলকেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।
মাহফুজা খানম বলেন, স্বাধীনতার চেতনাকে যারা অস্বীকার করে তারা একের পর এক ঘটনা ঘটাচ্ছে। মানুষের বিরুদ্ধে এমন আন্দোলন কখনো হয়নি। শুধু মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীরা এই সন্ত্রাস রুখতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পাঠকের মতামত
আপনার মতামত
নাম
ই-মেইল
মতামত
CAPTCHA Image

নগর মহানগর -এর অন্যান্য সংবাদ
উপরে