• ...
ঢাকা, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭ | শেষ আপডেট ৩৬ মিনিট আগে
ই-পেপার
জিয়াউর রহমান

আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার

ড. মোর্শেদ হাসান খান
১৯ জানুয়ারি ২০১৫, সোমবার, ৯:১৯
মুক্তিযুদ্ধের যে মহান মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে সমগ্র জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়ে লড়াই-সংগ্রাম করেছিল, স্বাধীন বাংলাদেশে তা হতে থাকে মলিন ও ম্লান। স্বাধীনতা অর্জনের মাত্র ৪৩ মাসের মধ্যে সদ্যস্বাধীন দেশটি একটি ব্যর্থ ও অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার উপক্রম হয়। আঁতুড়ঘরেই তাকে গলাটিপে হত্যা করার নানান ষড়যন্ত্র শুরু হয়। শেখ মুজিবের সরকার এই ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পড়ে। গণতন্ত্রের অগ্রসৈনিক শেখ মুজিবুর রহমান স্বৈরতান্ত্রিক রূপ পরিগ্রহ করেন। শুরু হয় বাকশালী শাসন। জুলুম-নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা, ধর্ষণ, গুম-খুন চরম আকার ধারণ করে। এই ধারাবাহিকতায় ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জীবনে ঘটে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড। শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন। অন্ধকার সুড়ঙ্গে আবার পথ হারায় বাংলাদেশ। চরম নেতৃত্বশূন্যতায় পড়ে দেশ।
৭ নভেম্বর ১৯৭৫-এ জাতির ক্রান্তিলগ্নে সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে ক্ষমতায় বসানো হয়। তাই তিনি বলেছিলেন, ‘জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস’ অর্থাৎ গণতন্ত্র একমাত্র পথ। ক্ষমতার প্রতি তার বিন্দুমাত্র মোহ ছিল না। তিনি রাষ্ট্রপতি হয়ে বলেছিলেন, ‘পরিস্থিতি আমাকে টেনে আনে।’ বাংলাদেশের মানুষ দেখল, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শেষ প্রহরে (ভোর) ৩টায় তার কণ্ঠে যে রকম ধ্বনি বেজে উঠেছিল, ‘আমি মেজর জিয়া বলছি...’ ঠিক তেমনি ৭ নভেম্বর ১৯৭৫-এর শুক্রবার ভোরে আবার ইথারে বেজে উঠল, আমি জেনারেল জিয়া বলছি...।’ তিনি জাতির উদ্দেশে তার প্রথম সংক্ষিপ্ত ভাষণে বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জনগণ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, বিডিআর, পুলিশ, আনসার এবং অন্যদের অনুরোধে আমাকে সাময়িকভাবে দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করতে হয়েছে। এ দায়িত্ব ইনশাআল্লাহ আমি সুষ্ঠুভাবে পালন করতে যথাসাধ্য চেষ্টা করব। আপনারা সকলে শান্তিপূর্ণভাবে যথাস্থানে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করুন। দেশের সব স্থানে অফিস-আদালত, যানবাহন, বিমানবন্দর, নৌবন্দর ও কলকারখানাগুলো পূর্ণভাবে চালু থাকবে। আল্লাহ আমাদের সকলের সহায় হোন।’
জেনারেল জিয়াউর রহমান অস্থায়ীভাবে সবার অনুরোধে ক্ষমতায় এসেছিলেন, কিন্তু দেশের পরবর্তী পরিস্থিতিতে তিনি স্বপদে ফিরে যেতে পারেননি। পারেননি দেশের অবস্থার কথা বিবেচনা করে। অন্য কথায় পরিস্থিতি তাকে বাধ্য করেছিল ফিরে না যেতে।
স্বাধীনতা-উত্তর মানুষের চাওয়া-পাওয়া ছিল অনেক। কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষমতায় এসে মানুষকে নিরাশ করেন। তার শাসনামলে (১৯৭২-৭৫) সাধারণ মানুষের অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্ট, গুম, হত্যা, ব্যাংক ডাকাতি, রাহাজানি, দুর্ভিক্ষ, দুর্নীতি, দুঃশাসনের স্টিমরোলার চলতে থাকে। দেশে সে সময় সিরাজ শিকদারসহ প্রায় ২৭ হাজার ভিন্নমতাবলম্বী রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও মুক্তিযোদ্ধাদের রক্ষীবাহিনীর হাতে নিহত হয় এবং গুম হয় প্রায় ১০ হাজার বিরোধী নেতাকর্মী। গণতন্ত্রের পথ হয় রুদ্ধ, সৃষ্টি হয় বাকশাল, সব পত্রপত্রিকা বন্ধ করে দেয়া হয়। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মাত্র চারটি পত্রিকা রাখা হয়। ওই সময় মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানীকে এক সাক্ষাৎকারে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখে গেছে। প্রয়াত স্বনামধন্য সাংবাদিক নির্মল সেন দৈনিক ইত্তেফাকের এক উপসম্পাদকীয়তে লেখেন, ‘স্বাভাবিক মৃত্যুর গ্যারান্টি চাই।’
দেশ পরিচালনায় দেশের জনগণের সমর্থন প্রয়োজন। তাই জিয়াউর রহমান গণতন্ত্রের প্রথম ধাপ উত্তরণে ১৯৭৭-এ গণভোট করলেন। তিনি ১৯৭৮ সালে ৩ জুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এক কোটি ১০ লাখ ভোটের বিপুল ব্যবধানে আওয়ামী লীগসহ বিরোধী মোর্চার প্রার্থী মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানীকে পরাজিত করে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনগণের সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। ভোটে পরাজিত ওসমানী পরাজয় মেনে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে অভিনন্দন জানান। তিনি ১৯৭৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন দেন। তার দল বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্থাৎ জাতীয় সংসদের ৩০০টি আসনের মধ্যে ২২০টি আসন লাভ করে।
রাজনীতিতে তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ নতুন। একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তার জন্য এ সাধারণ নির্বাচন ছিল প্রথম এক কঠিন পরীক্ষা। তিনি সে কঠিন পরীক্ষায় মহাগৌরবে উত্তীর্ণ হন। রাজনীতিতে দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন দেশের প্রবীণতম রাজনীতিবিদেরাও তার কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন।
তার সময়ে চারটি সংবাদপত্রের পরিবর্তে ৪৪৪টি সংবাদপত্র চালু হলো। একনায়কতান্ত্রিক শাসনের পরিবর্তে শুরু হলো বহুদলীয় গণতন্ত্র। রাষ্ট্রপতি জিয়া দেশবাসীর জন্য দিলেন ১৯ দফা কর্মসূচি। তিনি লক্ষ্য এবং কর্মসূচি নিয়ে এগিয়ে যেতে লাগলেন। তার অসামান্য মেধা ও শ্রম দিয়ে জনগণকে সাথে নিয়ে তলাবিহীন ঝুড়িকে পরিণত করলেন ফলপূর্ণ ঝুড়িতে। দেশজুড়ে ১৯ দফার সাড়া পড়ে গেল।
তিনি মনোনিবেশ করলেন দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে। অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, বাসস্থান ও স্বাস্থ্য খাতে বাংলাদেশের মানুষকে স্বাবলম্বী করে শোষণমুক্ত সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে তিনি ডাক দিয়েছেন স্বনির্ভরতার। তিনি জনগণের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের জন্য সর্বপ্রথম জোর দিলেন খাদ্য উৎপাদনে। বছরে তিনটি ফসল উৎপাদনের জন্য তিনি সারা দেশে উল্কার মতো ছুটতে লাগলেন। তিনি কৃষি উন্নয়নে বিদ্যুৎচালিত সেচব্যবস্থা, ট্রাক্টর ও কৃষকের জন্য কৃষিঋণের ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি ১২ হাজার খাল পুনঃখনন করেছেন স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে। তিনি কৃষি ও খাদ্যকে দলীয় ও গোষ্ঠীগত রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখার জন্য সবার কাছে অনুরোধ করেন। তার শাসনের আগে এবং প্রথম দিকে ১০-১৫ লাখ টন খাদ্য ঘাটতি ছিল। উৎপাদন বাড়িয়ে দুই বছরের মধ্যে ঘানায় চাল ও চিনি রফতানি করেন। দেশ ও জাতির উন্নয়নে এ মহান রাষ্ট্রপতি কাজ করেছেন নিরলসভাবে।
তিনি উপলব্ধি করেন, নিরক্ষরতার অন্ধকারে নিমজ্জিত কোনো জাতিকে নিয়ে কোনো উন্নয়ন তৎপরতা সম্ভব নয়। তাই নিরক্ষরতা দূরীকরণের লক্ষ্যে তিনি শুরু করলেন গণশিক্ষা এবং ছাপালেন এক কোটি বই। মাত্র দেড় বছরে ৪০ লাখ মানুষ নতুন করে লেখাপড়া শিখলেন। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পরিবেশ ফিরিয়ে আনলেন।
একটি উন্নত রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড ও প্রাকৃতিক সম্পদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকতে হয় তার জনসমষ্টির। তাই রাষ্ট্রপতি জিয়া পরিকল্পিতভাবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের ওপর অধিকতর গুরুত্বারোপ করেন। ১৯৭৬-এ গ্রাম ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ৩৮ হাজার পরিবার পরিকল্পনাকর্মী নিয়োগ করেন। সৃষ্টি করা হয় এক বছরের প্রশিক্ষণ দিয়ে ২৭ হাজার পল্লী চিকিৎসক। শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য গ্রাম সরকার সৃষ্টি করে ৮০ লাখ গ্রাম প্রতিরক্ষাকর্মী নিয়োগ করলেন। ঢেলে সাজালেন প্রশাসন।
রাষ্ট্রপতি জিয়া শিল্পক্ষেত্রে শুরু করলেন শিল্প বিপ্লব। উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সরকারি কলকারখানায় তিন শিফটে কাজ শুরু হয় তার আমলে। শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো এবং বছরে দু’টি বোনাসের ব্যবস্থা করা হলো। তার সময়ে মোট জাতীয় উৎপাদন ১৯৮১ সালে শতকরা ৭.৫ ভাগ বাড়ে। অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে রেকর্ড সৃষ্টি হয়।
অর্ধশিক্ষিত যুবসমাজকে কর্মীর হাতিয়ারে পরিণত করার জন্য যুব মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করেন জিয়া। জেলায় জেলায় স্থাপিত হয় কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যার মাধ্যমে ট্রেনিং নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যসহ সারা বিশ্বে বাংলাদেশের শ্রমিকেরা চাকরি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে চলছে। সর্বপ্রথম মধ্যপ্রাচ্যসহ বিদেশে শ্রমবাজার প্রতিষ্ঠা করেন জিয়াউর রহমান। দেশের পিছিয়ে পড়া, অবহেলিত নারীসমাজকে বাদ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই দেশ গঠনের কার্যে যাতে নারীরা সরাসরি যুক্ত হতে পারে, সেই লক্ষ্যে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন মহিলা মন্ত্রণালয় ও জাতীয় মহিলা সংস্থা। শিশুদের মেধা বিকাশে ১৫ জুলাই ১৯৭৭-এ প্রতিষ্ঠা করেন শিশু একাডেমি। প্রতিষ্ঠা করেন শিশুপার্ক। আমাদের স্বকীয় গ্রামীণ সংস্কৃতি উন্নয়নে প্রতিষ্ঠা করেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এর মাধ্যমে মাতিয়ে তোলেন গ্রামবাংলা। পররাষ্ট্রনীতিতে তিনি ছিলেন সফল। শেখ মুজিব বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব অর্জনে ব্যর্থ হন। জিয়াউর রহমান মধ্যপ্রাচ্য ও চীনসহ বহির্বিশ্বে বন্ধুর সংখ্যা বাড়ান। এ ছাড়া তার গতিশীল নেতৃত্বের কারণেই প্রাচ্যের সবচেয়ে শিল্পোন্নত ও শক্তিশালী দেশ জাপানের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বাংলাদেশ জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়। দেশবাসীর জন্য এটা ছিল একটা বিরল সম্মান। রাষ্ট্রপতি জিয়া ইসলামি সম্মেলনে তিন সদস্যবিশিষ্ট ‘আল কুদস’ কমিটির একজন সদস্য হওয়ার দুর্লভ সম্মান লাভ করেন। ইরাক-ইরান য্দ্ধুাবসানের প্রচেষ্টায় ইসলামি সম্মেলনে ৯ সদস্যের শান্তি মিশনে শীর্ষ নেতার ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি। তার আমলেই সৌদি আরব, চীন, কোরিয়া, পাকিস্তানসহ আরো কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। তার আমলে দেশে দেশে মৈত্রীর বিস্তার শুরু হয়। তিনি ছিলেন সার্কের স্বপ্নদ্রষ্টা।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়া ছিলেন একজন সৎ, আদর্শ ও ধার্মিক মানুষ। তিনি ছিলেন স্বল্পভাষী ও নিরহঙ্কারী। একজন রাষ্ট্রপতি হয়েও তিনি সাদাসিধে জীবন যাপন করতে ভালোবাসতেন। আনুষ্ঠানিকতা ও রাষ্ট্রপতি পদের দাবিতে জিয়া সব সময়ই ভালো কাপড় পরতেন। কিন্তু ঘরের ভেতরে তিনি ছেঁড়া কাপড় তালি দিয়ে রিপু করে ব্যবহার করতেন। তার শাহাদতবরণের পর জাতীয় দৈনিকের বিবরণে জানা যায়, ‘জিয়ার ব্যক্তিগত মালামালের মধ্যে নি¤œলিখিত জিনিসগুলো পাওয়া যায় একটা পুরনো চামড়ার স্যুটকেস। তা এত পুরনো যে, এর তালাও সঠিক কাজ করে না। একটি পুরনো অতি সাধারণ টু-ইন-ওয়ান, তালাবদ্ধ একটি পুরনো ইকোলাক জাতীয় ব্রিফকেস, গায়ের আধা ছেঁড়া গেঞ্জি, দু-তিনটি সাফারি শার্ট, একটি প্যান্ট, একটি ফাউন্টেন পেন, একটি সানগ্লাস। মৃতের মাথার কাছে ছিল কয়েকটি ক্যাসেট, তার বিছানার পাশেই পড়েছিল জায়নামাজ ও সাদা গোলটুপি।’ (ইত্তেফাক, ৫ জুন ১৯৮১)।
দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, আইনশৃঙ্খলা ও সার্বিক উন্নয়নে স্বজনপ্রীতির কারণে যেখানে শেখ মুজিব ব্যর্থ; সেখানে জিয়াউর রহমান মাত্র পাঁচ বছরের অধিক সময় শাসনামলে শতভাগ সফল। তাই ৩০ মে ১৯৮১-এ তার মৃত্যুর পর মানিক মিয়া এভিনিউতে ৩০ লাখ মানুষের ঐতিহাসিক জানাজা প্রমাণ করে জনগণের মনের মণিকোঠায় তিনি কতটা ঠাঁই করে নিয়েছেন। জনৈক বিদেশী সাংবাদিক তার সততা সম্পর্কে এক মন্তব্যে বলেছিলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার সততা শুধু বাংলাদেশের রাজনীতিকদের জন্য অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত নয়, বিশ্বের অন্যান্য দেশের রাজনীতিকদের জন্যও অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত।’ (বাংলাদেশ টাইমস, ৯ নভেম্বর ১৯৮১)। শহীদ জিয়ার সততার খ্যাতি বিশ্বজোড়া। 
লেখক : অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ ও সিনেট সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
পাঠকের মতামত
আপনার মতামত
নাম
ই-মেইল
মতামত
CAPTCHA Image

বিশেষ আয়োজন -এর অন্যান্য সংবাদ
উপরে