Deprecated: mysql_connect(): The mysql extension is deprecated and will be removed in the future: use mysqli or PDO instead in /home/dailynayadiganta/public_html/allarchive/archive_hasan/includes/connect.php on line 30
Naya Diganta :: আমেরিকা : ইরাকে সজাগ, গাজায় অন্ধ
  • ...
ঢাকা, বুধবার, ১৭ জানুয়ারি ২০১৮ | শেষ আপডেট ৪৯ মিনিট আগে
ই-পেপার

আমেরিকা : ইরাকে সজাগ, গাজায় অন্ধ

মো: বাকীবিল্লাহ
১১ আগস্ট ২০১৪, সোমবার, ২:২৫
যুক্তরাষ্ট্র আবার প্রমাণ করলো তারা সুনির্দিষ্ট কিছু সহিংসতার ব্যাপারে বেশ সতর্ক। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অনুমোদনের পর ইরাকের সুন্নি বিদ্রোহীদের ওপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে মার্কিন বিমান।
খ্রিস্টান ও ইয়াজিদিসহ ইরাকের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে দেশটির সুন্নি বিদ্রোহীদের কবল থেকে বাঁচাতে ওবামার এই মিশন।

জাতিসঙ্ঘের তথ্যমতে, সুন্নি বিদ্রোহীদের ভয়ে প্রায় সংখ্যালঘু ইয়াজিদিসহ বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ৪০ হাজার মানুষ শরণার্থী হয়েছে। সিনজার উপত্যকার আশেপাশে আশ্রয় নেয়া এসব মানুষ খাবার ও পানির কোনো সংস্থান ছাড়াই অবরুদ্ধ হয়ে আছেন। তাছাড়া ইতোমধ্যে ইয়াজিদি সম্প্রদায়ের প্রায় ৫শ’ মানুষ হত্যা করেছে আইএসআইএস। তারা সংখ্যালঘুদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করছে। নতুবা তাদেরকে হত্যা করছে। সুন্নি বিদ্রোহীদের এ বর্বরতার জবাবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগ। মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে এ উদ্যোগের জন্য তারা বাহবা পেতেই পারে।

অন্যদিকে গাজায় চলছে ইসরাইলি বর্বর হামলা। এতে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি শরণার্থী হয়েছেন। প্রায় ১৯শ’ মানুষ মারা গেছেন। যার মধ্যে অন্তত ৫শ’ শিশু। ইসরাইলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনিদের ঘর-বাড়ি, মসজিদ, স্কুলসহ বিভিন্ন স্থাপনা চুরমার হয়ে গেছে।
হামলা হয়েছে জাতিসঙ্ঘের স্কুলেও। যুক্তরাষ্ট্র শুধু হামলার নিন্দা করেছে। কেন এর চেয়ে বেশি কিছু করতে পারছে না তারা?

ইসরাইলের ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের এ দুর্বলতা বিশ্ব-রাজনীতিতে একটি গোলকধাঁধা। অনেকে বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের নির্বাচনে ইসরাইলি লবির শক্তিশালী ভূমিকার কারণেই মার্কিন শাসকদের এ দুর্বলতা।
 
ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ভূমিকায় আবারো প্রশ্ন উঠেছে, অতীতে খলনায়কের ভূমিকার অসংখ্য রেকর্ড থাকা সত্ত্বেও ওয়াশিংটন কোন মুখ নিয়ে মানবিক বিপর্যয় রোধে নেতৃত্ব দিতে আসে?

হিন্দুস্থান টাইমস অবলম্বনে
পাঠকের মতামত
Suhrid
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারি ২০১৫ ১২:০২


ইরাকে সজাগ, গাজায় অন্ধ - তেমনি রাঙামাটি- খাগড়াছড়িত- বান্দরবানে সজাগ, আরাকানে - মিন্দানাওতে অন্ধ।
মশিউর রহমান
রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:০৫
১২

বিশ্ব শান্তির হুর মালালা ও কিছু কথা.................................... মশিউর রহমান বর্তমান বিশ্বের আলোকিত ও আলোচিত একটি নাম মালালা ইউসুফজাই। তিনি নাকি বিশ্বে শান্তির আগাত প্রবাহ ছড়িয়ে ২০১৪ সালের নোবেল প্রদান কারী সংস্থার মন জয় করেছেন।বিশ্বে নারী শিক্ষার অগ্রনায়িকা তাকে বললে তেমন ভুল হবে না বলেই আমি বিশ্বাস করি।কেবল তার কাজেই যে তিনি নায়িকা না, তিনি যে আসলেই ভাল অভিনয় ও করেন তা বিশ্ববাসী জানে কারন তারা তা দেখেছেন।কি নিখুত অভিনয় শৈলী দিয়ে তিনি নোবেল এর মত পুরস্কার জয় করে নিলেন।এ জন্য তাকে অভিন্দন বার্তা না পাঠালে বেজায় অসম্মান হবে।সুযোগ থাকলে পাঠিয়ে দিতাম।কারন এটা ও তার অর্জন।কিন্তু প্রশ্ন অন্য।আগে জানতাম ভাল অভিনয় এর জন্য অভিনেতা /অভিনেত্রী রা অস্কার পায় ,আর এখন পায় নোবেল।যদিও মালালা শান্তি ছড়িয়ে নাকি নোবেল পেয়েছে তবে আমি বিশ্বাস করি নোবেলের জনক আলফ্রেড নোবেল যদি জানতেন যে ভবিষ্যতে এত ভাল অভিনেত্রী আসবে তাহলে অভিনয়ের জন্য অন্তত নোবেল রেখে যেতেন।এবার আসি গোড়ার কথায়।খুব বেশি দিন আগের কথা নয় এই তো ২০১২।হঠাৎ শুনলাম পাকিস্থান এর সোয়াত উপত্যাকায় নাকি কোন অখ্যাত স্কুল ছাত্রীকে লক্ষ করে তালেবান বা অন্য কেহ গুলী করেছে।মিডিয়ার কল্যানে জানতে পেরে খুব মায়াই লেগেছিল।আরো জানলাম সে নাকি তালেবানদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে নারী শিক্ষার জন্য মানুষ কে জাগিয়ে তুলতেন।কিন্তু সেই জাগিয়ে তুলাতে তিনি যে এত টা জেগে যাবেন তা হয়তো কখন ও ই ভাবেন নাই। যাই হোক আরো জানা গেল এটাই নাকি তার উপর প্রথম হামলা না।২০০৭ সালেও নাকি তার উপর হামলা হয়েছিল।বিশ্ববাসীর ন্যায় আমিও তার জন্য দোয়া করেছিলাম।কিন্তু তখন ও কেহ বুঝে উঠতে পারে নাই বিনা পয়সায় তাদের জন্য কি নাটক মঞ্চায়ন হতে যাচ্ছে।সাথে সাথে পাকিস্থান কে তার জন্য অনিরাপদ ঘোষনা করে উড়াল দিল লন্ডন।বাবা মা সহ সব কিছুর ব্যয়ভার নিয়ে নিল বিশ্ব দরদী বন্ধু আমেরিকা।তখনই নাটকের ডিরেক্টর কে কিছুটা হলেও উপলব্ধি করতে পেরেছিল নাদান দর্শক ।এরপর স্কিপ্ট লেখক,ক্যামেরাম্যান,সহ অভিনেতা /অভিনেত্রী সবাই পর্দায়।নায়িকার ও শারিরিক উন্নতি সাথে ফুলেরতোড়া গ্রহন ইত্যাদি চলছে।নাটকের নাম যদি দেয়া যেত তাহলে ''ছোট্ট বালিকার বিখ্যাত হওয়ার গল্প'' হলেই ভাল জমে উঠত।নাটক যেন ইন্ডিয়ান সিরিয়াল কোন পর্বে শেষ হবে বা কবে ই বা হবে তা পরিচালক, অভিনেত্রী কেহই জানে না।নোবেল পাওয়া কেবল অনেক পর্বের একটি মাত্র তাই আমি অবাক নই।আপনি ও হবেন না।কারন সামনের পর্বে হয়তো কিছু অপেক্ষা করছে । নতুন আর ও কত অভিনেতা/অভিনেত্রীর আগমন হবে।তবে সেটা কিন্তু আমাদের জন্মভূমি বাংলাদেশ থেকে ও হতে পারে।আর ইসরাইলের নেতারা শান্তির জন্য আগামীতে আবার ও নোবেল নিয়ে দর্শক আনন্দ দিবে তা তো এ নাটকে সাধারন বিষয়।আর ফিলিস্তিন ,বাংলাদেশ,আফগান,কাশ্মীর,ইরাক,ইরান,সিরিয়া মিশর এর মানুষ গুলো যেন এই নাটকের ভিলেন।নায়ক তার নায়িকা কে রক্ষা করতে যেমন ভিলেন কে ডীসুম ডীসুম মারে আর দর্শক এর হাত তালি নেয় তেমন ই চলছে অনন্ত কাল চলমান এই নাটকে।কিন্তু সেই নায়িকা কে উদ্ধার কারী নায়ক পরে বৈধ ধর্ষন করে তখন ইন্ডিয়া,ইংল্যান্ড ,ফ্রান্স,জার্মান,চীন,কোরিয়ার মত দর্শকরা হাততালী দিয়ে মজা চূষে।কিন্তু সেই ভিলেন যে নায়িকার ভাই/বারা ছিল দর্শক তা তখন ও বুঝেনা।আর যখন বুঝে তখন হায় আফসোস।কিন্তু নাটকের তারপর ও পরের পর্ব এর অপেক্ষায় কাঙ্গাল দর্শক।শেষ কেহ কামনা ও করেনা আর শেষ ও হয় না।।তাই তো মালালার মত বালিকারা ধর্মের নাম নিয়ে অভিনয়ের জন্য অস্কার এর পরিবর্তে নোবেল নিয়ে বাড়ি ফিরে।কিন্তু এর শেষ কোথায়।কখন ও কি শেষ হবে?? ( ইস্কিশাহির,তুরস্ক থেকে)
আপনার মতামত
নাম
ই-মেইল
মতামত
CAPTCHA Image

মতামত -এর অন্যান্য সংবাদ
উপরে